২৪ অক্টোবর, ২০১২

টেক্সাসের একজন বিচারক ঘোষণা দিয়েছেন, তিনি আর কোন স্ট্রেইট কাপলের বিয়ে পড়াবেন না যতদিন পর্যন্ত গে এবং লেসবিয়ান রা বিয়ে করার অধিকার না পায়।

কথায় আছে, অল ইজ ফেয়ার ইন লাভ এন্ড ওয়ার। যুদ্ধ এবং ভালবাসায় সব কিছু
বৈধ। থ্রি ইডিয়টস সিনেমা দেখার সময় ডায়ালগটা মাথায় ঢুকে যায়। আজ আবার
সেটাই মনে পড়ে গেল খবর টা পড়ার পর। টেক্সাসের একজন বিচারক ঘোষণা দিয়েছেন,
তিনি আর কোন স্ট্রেইট কাপলের বিয়ে পড়াবেন না যতদিন পর্যন্ত গে এবং
লেসবিয়ান রা বিয়ে করার অধিকার না পায়।
আপনি ভাবছেন বিয়ে পড়াতে আবার বিচারকের খবরদারী কেন। যিনি জানেন না তার
জন্য বলছি। আমাদের দেশে বিয়ে পড়তে মৌলভি-ঠাকুর মশায় লাগে। বিলেত-
আমেরিকায় গির্জার পাদ্রি দিয়েও কাজ সারা যায়। কিন্তু বিয়েটা ফাইনাল হল
বিচারকের কোর্টে। টেক্সাস, ডালাসের ঐ বিচারক টনিয়্যা পার্কার বলেন, "আমি
আর স্ট্রেইট বিয়েতে কাজ করব না কারণ এর দ্বারা কখনোই আইনের সাম্য প্রয়োগ
হবে না" আইন তো সবার জন্য সমান হওয়া উচিত। পার্কার একজন লেসবিয়ান।
পার্কার জানান, তিনি সময় নিয়ে ব্যাখ্যা করেন কেন তিনি বিয়ে পড়াবেন না। "
আমি দেশে বিয়ের সমধিকার নিয়ে কথা বলার সুযোগ হিসেবে এটা করছি। আমি অনুভব
করলাম, আমার উচিত তাদের বুঝিয়ে বলা আমি কেন তাদের দূরে সরিয়ে রাখছি। আমি
সাধারনতঃ তাদের এভাবে বলি- আমি দুঃখিত, আমি বিবাহ পড়াই না কারণ আমাদের
দেশে বিয়েতে সমধিকার নাই। আর আমি কোন আইনের আংশিক প্রয়োগ করতে পারব না যা
এক শ্রেনীর লোকের জন্য প্রযোজ্য কিন্তু অন্যশ্রেনীর লোকের জন্য নয়।"

পার্কার একমাত্র ব্যক্তি নন যিনি সমকামীদের অধিকার আদায়ে প্রচেষ্টা
চালাচ্ছেন। এন্টোনিও ডার্ডেন নিউ মেক্সিকোর একজন হেয়ার ড্রেসার। তিনি তার
দোকানে রাজ্য গভর্নরের প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছেন। টেক্সাসের মহিলা গভর্ণর
সম্পর্কে ডার্ডেন বলেন, "সমকামী বিয়ে বিষয়ে তার মতামতের সাথে আমি একমত
নই। এটা পুরুষ এবং নারী সম্পর্কিত কোন বিষয় নয়, এটা সমধিকারের বিষয়, এটা
মর্যাদার লড়াই। তাই যখন তার এসিস্টেন্ট চুল কাটার জন্য বুকিং চায় আমি
সাথে সাথে না করে দেই।"

নিউ মেক্সিকোতে সমধিকার নিয়ে সবসময় কথা বলেন নিকোলাস রাইমার। তিনি বলেন,
অনুগত জনগনের অশ্রদ্ধা আসে নানারুপে- গায়ের রঙের জন্য এক শ্রেনীর মানুষকে
বাসে পিছে বসতে হত একসময়। আজ একজন চুল পরিচর্যাকারী রাজ্য গভর্নরের চুল
কাটটে অস্বীকার করছেন সমলৈঙ্গিক বিয়েতে বিপরীত ধারণা পোষণ করায়।

কালো মানুষগুলো সংগ্রাম করেছিল বলেই আমেরিকা আজ একজন নিগ্রো প্রেসিডেন্ট
পেয়েছে। পার্কার, ডার্ডেন, নিকোলাস দের লড়াই যদি সফল হয় তাহলে হয়তো
এমেরিকা এমন কোন প্রেসিডেন্ট পাবে যে বিশ্বাস করবে পৃথিবীর সব মানুষের
জন্য আইন সমান।




এশিয়াঃ সমকামী পুরুষেরা নিজেদের আড়াল করতে বিয়ে করেন।

মধ্য এশিয়ায় সাম্প্রতিক এক জরীপে দেখা গেছে অধিকাংশ সমকামী পুরুষেরা
সমাজে নিজেদের সেক্সুয়ালিটি আড়াল করে রাখতে বিয়ে করছেন। হোমোল্যাবের নতুন
রিপোর্টের ফল অনুসারে ব্যাপারটি মোটেও আশাজনক নয়। কারণ বিবাহিত দম্পতি
কখনোই সুখী হতে পারবে না। কারণ তাদের শারীরিক এবং মানসিক প্রত্যাশা ও
প্রাপ্তিতে থাকছে যোজন যোজন ফারাক।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ২৩ বছর বয়সী এক উজবেক যুবক উজবেকিস্তানের রাজধানী
তাসখন্ড এর সমকামী জীবনের কথা ফুটে ওঠে। যদিও সেখানে সমকামিতা অবৈধ
কিন্তু তার একাধিক সমকামী বন্ধু রয়েছে এবং সে মাঝে মাঝেই গে ক্লাবে যায়।
"আমার মা মাঝে মাঝে আমাকে জিজ্ঞেস করেন, তুমি সবসময় ডেস্কটপের ওয়ালে
মাসলম্যানদের ছবি দিয়ে রাখ কেন? আমি তাকে বলি, আমি তাদের মত বডি বানাতে
চাই সেজন্য দিয়ে রাখি। আমার মা হয়তো আমার মনের কথা বুঝতে পারেন।" – জনৈক
উজবেক তরুন।
আমাদের বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ঘটনাটি খুব বেশী বিরল নয়। আমরা একবারও কি
ভেবে দেখব না সেই সব মেয়েগুলোর কথা যারা সংসারে এক অব্যক্ত যন্ত্রণার
শিকার হচ্ছে। হয়তো কারো কাছে সেটা প্রকাশ করতে পারছে না। সমকামী পুরুষদের
কি বিয়ে করা উচিত! একটি মেয়ের জীবন নষ্ট করার অধিকার কি তাদের আছে?
সমাজের কি উচিত নয় এই সামাজিক ব্যধি সারিয়ে তোলা। সমকামী- অসমকামী সবার
কাছে প্রশ্ন রেখে গেলাম।

২২ অক্টোবর, ২০১২

একজন যুদ্ধাপরাধী ওমর খাদর ও একজন নাস্তিক সমকামী জ্যাক হ্যালাম।

একজন গে, ধর্মেও তার আস্থা ছিল না। মৃত্যুর আগে তিনি উইল করে গেছেন। তার
সম্পদের ৭০০ ডলার তিনি দান করে গেছেন। তাও একজন যুদ্ধ অপরাধীকে। কারণ,
ওমর খাদর এর কাহিনী তাকে নাড়া দিয়েছিল।

জ্যাক হ্যালাম, ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার লবন বসন্ত (সল্ট স্প্রিং) দ্বীপে বাস
করতেন। বর্তমানে কানাডিয়ার নাগরিক ২৬ বছর বয়সের মানুষটি গুয়ান্তোনামো
বন্দি শিবিরে নিদারুন নির্যাতনের শিকার হয়েছিল। তার করুন কাহিনী পড়ে
জ্যাক এই উইল করেছেন। ৮৪ বছর বয়স্ক জ্যাক কানাডিয়ান প্রেসকে বলেন, "'I
think the young man has been treated abominably, 'His story just moved
me. He was tortured, he was kept in solitary confinement, he had light
deprivation"

২০০২ সালের ২৭ জুলাই। আফগানিস্তানের আইয়ুব খাল গ্রামে চার ঘন্টার বন্দুক
যুদ্ধের পর আমেরিকার সৈন্যরা খাবরকে গ্রেফতার করে। তখন তার বয়স ছিল ১৫
বছর। ২০১০ সালে, সন্ত্রাসীদের অস্ত্র পৌঁছে দেয়া, নৃশংসভাবে হত্যা,
যুদ্ধাপরাদ ইত্যাদি কারণে তার বিরুদ্ধে ৫ টি অভিযোগ প্রমাণিত হয়। সে জন্য
তাকে আরো ৮ বছর জেল দন্ড দেয়া হয়। কিন্তু ইতোঃমধ্যে সে গুয়ান্তনামো
বন্দিশিবিরে ৮ বছর পার করে ফেলেছে। কিন্তু ২৯ সেপ্টেম্বর তাকে কানাডায়
ফেরত পাঠানো হয়।

অবসর প্রাপ্ত জুলজিস্ট হ্যালাম আশা প্রকাশ করেন এই যোদ্ধা শিশুকে
স্বাভাবিক জীবনে ফেরত যেতে টাকাগুলো সাহায্য করবে। হয়তো সে এগুলো আরো
বাড়িয়ে তুলতে পারবে। খাদর এর আইনজীবী নরিস বলেন, " prisoner will now be
able to receive an education up to high school level. He has said in
the past that he's very interested in some kind of a medical career, a
paramedic or something of that nature, and he remains committed to
that idea. But I think as he continues to learn and is exposed to
different things he may get other ideas"

কানাডীয়ান সরকারের সমালোচনা করে নরিস বলেন, সরকার খাদরকে গুয়ান্তোনামো
বন্দি শিবিরের না পাঠানোর জন্য যথেষ্ট সক্রিয় ছিলেন না। আমেরিকার
সমালোচনা করে নরিস বলেন, 'On the American side, they threw him into a
place where no one belongs, an utterly illegal and illegitimate
detention facility, But Omar particularly did not belong there because
of the clear international consensus that children should not be
prosecuted with anything in connection with a war or a war crime.'

১৭ অক্টোবর, ২০১২

বাংলাদেশঃ ঘেটুপুত্র – আনন্দ বালক

বাংলা সাহিত্যের কতগুলো ভাগ আছে। ছড়া, কবিতা গান, প্রবন্ধ। চর্যাপদের পদ
দিয়ে শুরু, এখন চলছে নাটক সিনেমার কাহিনী হয়ে। ঘেটু গান বাংলার লৌকিক
সাহিত্যের একটি অনবদ্ধ অংশ। বর্ষাকালে সুনামগঞ্জের হাওর এলাকায় ঘেটু গান
ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেত। আনন্দ করার জন্য এই গান গাওয়া ও শোনা হত। তাই একে
ঘেটু গান বলা হত। সুদর্শন বালকেরা মেয়েদের সাজে সজ্জিত হয়ে ঘেটু গান
প্রদর্শন করত।

বিত্তশালী মধ্যবয়স্ক বাঙালী পুরুষ বর্ষ মৌসুমে ঘেটুপুত্রদের বাড়িতে এনে
রাখত। এটা ট্রেডিশানে রুপান্তরিত হয়েছিল। এই কিশোর ছেলেদের তারা
প্রেমিকের মত ভালবাসত। তাদের জৈবিক চাহিদা, মানসিক চাহিদা দুইই পুরন করতে
হত ঘেটুপুত্রদের।

বাংলাদেশে সমকামিতা অবৈধ। ব্রিটিশ কলোনিয়াল সময়ে করা আইনের সুত্র ধরে ৩৭৭
ধারা মোতাবেক বাংলাদেশে সমকামিতাকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অথচ মাত্র ১৫০ বছর
আগে এই বাংলায় খোলাখুলি ভাবে গ্রামীণ মুসলিম ভূ-স্বামীদের মধ্যে
সমকামিতার প্রচলন ছিলো। ইতিহাসকে পাশ কাটিয়ে গেলেই ইতিহাস মিথ্যে হয়ে যায়
না।

বাংলাদেশের জননন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ তার মৃত্যুর আগে
(জুলাই'১২) এই ঘেটুপুত্রদের নিয়ে একটি সিনেমা বানিয়ে গেছেন, "ঘেটুপুত্র
কমলা"। এই সিনেমাটিতে একজন মুসলিম পুরুষের গল্প বলা হয়েছে যার জীবন তার
ইর্ষাকাতর বধু ও একজন ঘেটুপুত্র কমলার জন্য অসহনীয় হয়ে ঊঠেছে। সিনেমাটি
মুক্তির দেয়ার আগে স্থানীয় পত্র-পত্রিকাতে অনেক লেখলেখি হয়েছে। অনেকে
সিনেমাটিকে নিষিদ্ধ ঘোষ্ণা করার কথা বলেছেন। কিন্তু সিনেমাটি মুক্তি
পাওয়ার পর অধিকাংশের প্রশংসা কুড়িয়েছে।

এএফপি'র সাথে সাক্ষাতকারে আব্দুল কুদ্দুস বয়াতি জানান যে তার যৌবনকালে
তিনি ঘেটুপুত্র কালচার দেখেছেন। তিনি বলেন, "তারা সেক্স করত এবং এটার
জন্য কারো কাছ থেকে কোন প্রকার বাঁধা আসতো নাই।" মুসলিম সমাজ থেকে কোন
বাধা দেয়া হত না।

এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সমকামী জনগোষ্ঠীকে হেয় চোখে দেখা অন্যতম
দেশ। এখানে সমকামিতা নিয়ে কথা বলতে গেলে সবাই থামিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে।
তাই বাংলাদেশ সরকার ঘেটুপুত্র কমলা সিনেমা মুক্তি দিয়ে ব্যাপক উদারতা
দেখিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

১৪ অক্টোবর, ২০১২

ঘৃণা যাদের মৃত্যুর কারণঃ

আমরা এক অস্থির পৃথিবীতে বাস করছি। এখানে আমাদের অধিকাংশ মানুষকে দিনান্ত
পরিশ্রম করতে হয় বেঁচে থাকার তাগিদে। তাই মৃত্যু এখানে কাম্য নয়। তারপরও
কিছু মানুষকে নিয়তির পরিহাসে চলে যেতে হয় না ফেরার দেশে। স্বাভাবিক
মৃত্যু সেতো প্রকৃতির চিরন্তন বিধান। কিন্তু অনাকাঙ্খিত মৃত্যু কেউ কি
মেনে নিতে পারে!

থাপেলে মাকুটলে, নোক্সোলো নকোসানা, জোডি দবরস্কি, ডেভিড কাটো, হার্ভে
মিল্ক, ম্যাথু শেফার্ড, ক্রেইগ গিই, এলেক্সিস ফ্রুমিন, ব্রেনডন কোর্টনি,
ফ্যান এন এডি, লরেন হ্যারিস, এঙ্গি জাপাটা – কিছু মানুষের নাম। এই
মানুষগুলো অক্টোবর মাসে খুন হয়। তাদের একটাই অপরাধ ছিলো – তারা সমকামী।
পৃথিবীতে আমরা সাম্যের গান গাই। পৃথিবীর সব মানুষের অধিকার সমান বলে
চিৎকার করি। কিন্তু এটাই আমাদের বাস্তব পৃথিবীর বাস্তবতা। আফ্রিকা থেকে
এশিয়া, ক্যারিবিয়ান থেকে ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা থেকে দক্ষিণ আমেরিকা,
ওশেনিয়া থেকে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল সব খানেই আজ মানুষ সৃষ্টিকর্তার
হয়ে বিচারকের আসনে বসে অন্য মানুষকে হত্যা লীলায় মেতে উঠেছে।
সৃষ্টিকর্তার ক্ষমতা কি এতই কম যে তার সাহায্যকারী সৈন্যের দরকার পড়ছে!

আরমেনিয়ায় “অশ্লীল” গে সিনেমা প্রদর্শণে বাঁধা

আরমানিয়ার ইয়েরেভেন এর একটি শিশুতোষ পাপেট থিয়েটারে একটি গে সিনেমা
প্রদর্শণের কথা চলছে। এর বিরুদ্ধে সেখানকার মানবাধিকার গ্রুপের চরমপন্থী
একটি অংশ আন্দোলণের ডাক দিয়েছে। গে অধিকার সচেতনতামুলক সিনেমা প্রদর্শণের
বিপক্ষে রাজধানী শহর ইয়েরেভেনে জার্মান দুতাবাসের সামনে তারা প্রতিবাদ
সমাবেশ করে।

আরমেনিয়ায় চলমান সহনশীলতা এবং বৈষম্য দূরীকরণ প্রকল্পের অংশ হিসেবে
জার্মান দূতাবাস এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন সার্বিয়ার চলচিত্র "পারাডা"
(প্যারেড) প্রদর্শণের পরিকল্পণা করে। সিনেমাটা মূলত গে অধিকার বিষয়ে
নির্মিত।

সার্বিয়ান পরিচালক স্রডজান ড্রাগোজেভিক পরিচালিত পারাডা সিনেমায় দেখানো
হয়েছে বেলগ্রেডে প্রথম গে প্যারেড নিষিদ্ধ ঘোষিত হওয়ার পরে দ্বিতীয়
প্যারেড কেমন হবে!

১৩ অক্টোবর, ২০১২

টুইটারে সমকামী টুইট এর জন্য সিএনএন থেকে রোল্যান্ড মার্টিন বরখাস্ত।

সুপার বোল চলার সময় টুইটারে দুটি সমকামী টুইট দেয়ার কারণে সিএনএন তার
রাজনৈতিক বিশ্লেষক রোল্য্যান্ড মার্টিনকে বরখাস্ত করেছে। ডেভিড বেকহাম
আন্ডারওয়্যার কমারর্শিয়্যাল চলার সময়ে মারটিন মন্তব্য করেন, "If a dude
at your Super Bowl party is hyped about David Beckham's H&M underwear
ad, smack the ish out of him."


ফুটবল ফ্যানদের গোলাপী পোষাক নিয়ে সে টুইটে লেখেন : "Who the hell was
that New England Patriot they just showed in a head to toe pink suit?
Oh, he needs a visit from #teamwhipdatass."
গ্লাড এই মন্তব্যের জন্য মার্টিনের শাস্তি দাবী করেন। তিনি বলেন তারা
সমকামীদের বিরুদ্ধে ভায়োলেন্স তৈরী করছেন। কিন্তু মার্টিন ভায়োলেন্স এর
কথা অস্বীকার করে বলেন, "আমি জাস্ট সসার নিয়ে একটা সাধারণ কৌতুক করেছি
মাত্র।" মার্টিন পরে অবশ্য দুঃখ প্রকাশ করেন, "আমি দুঃখ পেয়েছি যে আমার
বক্তব্য নৈতিকতার সম্মুখীন হয়েছে।"

সিএনএন মার্টিনের বক্তব্যকে "ক্ষমার অযোগ্য ও অযৌক্তিক আখ্যা দিয়ে ঘোষনা
করে, "এখন থেকে মার্টিনকে আর অন এয়ারে আনা হবে না। আমাদের প্রতিষ্ঠানের
রীতি ও মুল্যবোধকে অবমুল্যায়ণ করে এমন কোন ভাষা সহ্য করা হবেনা।"

সুত্রঃ Click This Link

ওকলাহোমাতে কি হস্তমৈথুন অবৈধ হয়ে যাবে? (বাচ্চারা পড়লে থাপরামু)

বলা যায় জীবনের সূচনা হয় উত্তেজনা থেকে। প্রতিটি মানুষ, প্রতিটি প্রানী
জৈবিক উত্তেজনা অনুভব করে বলেই তারা সঙ্গী খুঁজে নেয়। পৃথিবীতে তারা
বংশধর রেখে যায়। কিছু কিছু জৈবিক উত্তেজনা থাকে সমলৈঙ্গিক। আর সেকারণে
সমকামিতা বলে একটা বিষয় আছে। পৃথিবীর ধর্মগুলো সমকামিতাকে কড়া করে
নিষিদ্ধ করে গেছে। আজকে আমার আলোচনার বিষয় সেটা না। আমি একটা মজার খবর
তোমাদের সাথে শেয়ার করব।


কনস্ট্যান্স জনসন একজন গোঁড়া ডেমোক্রাট। সম্প্রতি তিনি ওকলাহোমার গর্ভপাত
বিরোধী "পার্সনহুড" বিলের উপর একটি সংস্কার প্রস্তাব এনেছেন। যাতে বলা
হয়েছে, " মেয়ে লোকের ভ্যাজিনার বাইরে পুরুষের সিমেন বা শুক্রানু বিসর্জন
বা কোন প্রকার সংরক্ষণ বেআইনি হিসেবে গন্য হবে এবং একজন অজাত শিশুর আগমণে
বাধা হিসেবে বিবেচিত হবে।" ওই মহিলা ডেমোক্রেটের মাথায় কি ঢুকেছিল কে
জানে।

তার সংস্কার প্রস্তাব আইন হলে ওরাল সেক্স, পায়ুকাম, হস্তমৈথুন সব এক আইনে
নিষিদ্ধ হয়ে যাবে। সে ক্ষেত্রে সমকামীদের বিরুদ্ধে তাদের নতুন কোন আইনের
প্রয়োজন হবে না। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রন এবং এইডস প্রতিরোধে সরকার সবসময় কনডম
ব্যবহারের উপর জোর দেয়। এমনকি মুসলিম প্রধান দেশে টিভিতে কনডমের বিজ্ঞাপণ
দেয়া বৈধ। কিন্তু এই আইন পাশ হলে ওকলাহোমাতে কনডম ব্যবহার বেআইনি হয়ে
যাবে। জনসন বলেন, তিনি এই সংস্কার প্রস্তাব এনেছেন কারণ এর দ্বারা একটি
ভ্রুণ গর্ভাবস্থা থেকেই পূর্ণ নিরাপত্তা ও মানবাধিকার পাবে।

এতো গেল বিদেশের খবর। পাগলাগুলোর খেয়ে দেয়ে কাজ থাকেনা। বসে বসে ঘোড়ার
ঘাস কাটে। কিন্তু নিজের দেশের কথা ভেবে খুব একটা স্বস্তি পাচ্ছি না। আমার
দেশের মন্ত্রীসভাতে নারী মিনিশটারের ঘাটতি নাই। যদিও সেখানে গুনের থেকে
বেগুন, আগুন এবং নির্গুনের সমাদর বেশী। এটা নিয়ে কথা বললে কপালে সেগুন
কাঠের বাড়ি জুটতে পারে। তাই এটা নিয়ে কথা বলব না। শুধু ভাবছি জাতীয় সংসদে
ঘুমিয়ে পড়া কোন মন্ত্রী যদি হঠাৎ ঘুম থেকে জেগে উঠে জাইগোটের মানবাধিকার
আদায়ে আইন করতে সোচ্চার হন তাহলে আমাদের উঠতি যুবক সমাজের কি হবে! আর আইন
টা কিভাবে বাস্তবায়িত হতে পারে সে বিষয়ে কি আপনার উর্বর মস্তিষ্ক কোন
সিগন্যাল দিচ্ছে?

খবর সুত্রঃ নার্ভ ডট কম nerve.com
oklahoma-democrat-jokingly-calls-for-anti-masturbation-bill

২৯ বছর সেক্স ছাড়া থাকতে পারবে? টিম গান পেরেছেন

প্রজেক্ট রানওয়ের তারকা এবিসি'র মঙ্গলবারের দিনের টক শো "দ্যা রিভোলিউশন"
এ জানালেন তিনি ২৯ বছর ধরে সেক্স করেন না তখন অনেকের মুখ হা হয়ে গেল। কি
করে একজন সুস্থ সবল মানুষের পক্ষে এটা সম্ভব! "আমি ২৯ বছর ধরে সেক্স
করিনি তার জন্য আমি কি ক্ষুদ্র মানুষ হয়ে গেছি না। অদূর ভবিষ্যতেও না।"
৫৮ বছর বয়সী টিম গান জানান তিনি খুব বক্তিগত কারণে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
একটি ইনটেনস ও সাইকোলজক্যালি একটি সম্পর্ক ভেঙ্গে যাওয়ার পর তিনি এই
সিদ্ধান্ত নেন। তিনি জানান, " আমার পার্টনার এই সম্পর্ক শেষ করে। নিরব
সত্য হচ্ছে সে আমার সেক্সুয়াল পারফরম্যান্স নিয়ে খুব অধৈর্য্যশীল ছিল।"

তিনি আরো বলেন যখন এইডস এর লক্ষণ প্রকাশ পেতে শুরু করল তখন সিদ্ধান্ত
নিতে আরো সুবিধা হল। "আমি মনে করি বহু লোক সুস্থ হতে পারে যদি তারা তাদের
সাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন থাকত। আমি ছিলাম। সত্য বলতে কি আমি সাস্থ্যবান
হিসেবে বেঁচে থাকতে পেরে সুখী।" কিন্তু গালভরা ডায়ালগেরও শেষ আছে। গান
জানান তিনি এখন রোম্যান্সের জন্য রেডি। "আমারও অনুভূতি আছে।" "It's not
as though I'm some barren forest. I don't want to imply to anyone that
I have a mandate that says no sex. I don't. I don't know what's around
the corner."
কিন্তু সেক্স ছাড়া একটা সপ্তাহ শেষের রোমান্স খুব কঠিন। এইডস রোগীদের
থেকে আমাদের সচেতন থাকা উচিত।

সুত্রঃ MSNBC

সিন কোডি’র সাবেক গে মডেলের যাবত জীবন কারাদন্ডঃ

জেসন এন্ড্রুজ এর বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় তাকে এখন বাকী
জীবন জেলে কাটাতে হবে। সাবেক সিন কোডি মডেল জেসন পর্নগ্রাফীতে অভিনয় করত
এডিসন নামে। ২০১০ সালে ডেনিস স্কুটার আব্রাহেমসেন কে খুন করার অপরাধে
জেসনকে মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়। ৪১ বছর বয়সী আব্রাহেমসেন ছিল ট্যাটু শপের
মালিক। আবাহেমসেনের বাড়ীতে একটা সেক্সপার্টির আয়োজন করা হয়। সেখানে
এন্ড্রুজ জয়েন করেন। ওখানেই খুনটা সংঘটিত হয়।

এন্ড্রুজের সহযোগী পর্নস্টার আমান্ডা লগ এই হত্যা মামলায় তার অবস্থান
নিয়ে এখনো বিচারাধীন আছে। আমান্ডা বিবাহিত হয়েও এন্ড্রুজের সাথে ডেটিং
করত। আব্রাহেমসেন আমান্ডাকে ভাড়া করে তার সাথে সেক্স করে ভিডিও করার
জন্য।

তারা আব্রাহামসেন হত্যা করে তার টাকা-পয়সা ও বাড়ীর সম্পদ হাতানোর জন্য।
তার আব্রাহামসেনের Home Depot card ব্যবহার করার কারণে তারা ধরা হয়ে যায়।
আমান্ডা ধরা পড়ার পর জবানবন্দী দেয় এই ঘটনার জন্য জেসন ই দায়ী। আমান্ডা
লগ এখনো প্রথম শ্রেণীর খুনের মামলায় চার্জে আছে। মে মাসে তাকে ট্রাইলে
নেয়া হবে।

আমেরিকার নির্বাচনে সর্বাধিক সমকামী প্রার্থী

আমেরিকার আসন্ন নভেম্বরের নির্বাচনে রেকর্ড সংখ্যক গে প্রার্থী
প্রতিদ্বন্দিতা করবেন। নয় জন ঘোষিত গে প্রার্থী প্রধান দলগুলোর নমিনি
হিসেবে হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভ অথবা সিনেটে লড়বেন। ৬ নভেম্বরের
নির্বাচনের পরে তারা যদি বিজয় অর্জন করতে পারে তবে সেটা আমেরিকার
ইতিহাসের জন্য অন্যরকম এক দিগন্তের সূচনা করবে।

হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভে প্রথম গে এশিয়ান আমেরিকান ক্যালিফোর্ণিয়ার
মার্ক টাকানো এবং প্রথম বাইসেক্সুয়াল সদস্য হিসেবে আরিজোনার ক্রিস্টেন
সিনেমাকে পেতে যাচ্ছে।

কংগ্রেস প্রথম গে সিনেটর হিসেবে উইসকনসিনের ট্যামি বডউইন কে পেতে যাচ্ছে।
ঘোষিত গে ক্যাণ্ডিডেটদের মধ্যে ৮ জন প্রধান একটি দল থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন।
যা আগে কখনো হয়নি। কলারাডোর ডেমোক্রাট জ্যারড পোলিস এবং রোড আইল্যান্ডের
ডেভিড সিসিলিন হট ফেভারিট হিসেবে নির্বাচনে লড়বেন।

রিপাবলিকান দল থেকে একজন গে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে, মাসাচুয়েট'স থেকে
রিকার্ড তিসেই কে। তিনি হাউস সিটের জন্য প্রতিদ্বন্দিতামূলক প্রচারণা
চালিয়ে যাচ্ছেন।

নিউ ইয়োর্কের প্রথম গে কনগ্রেস প্রার্থী ম্যালোনি বলেন, ভোটাররা অর্থনীতি
এবং স্বাস্থ্যখাতের দিকে বেশী নজর দিবেন, গে অধিকারের উপর নয়।
বাংলাদেশে কি সব মানুষ ভালবাসার সমান অধিকার পাবে কখনো?

সমকামী চরিত্রে বলিউড অভিনেতাঃ

রিশি কাপুর, ভারতীয় অভিনেতাদের মধ্যে পরিচিত মুখ। অনেকদিন ধরে ভারতীয়
সিনেমা অঙ্গণে তার সরব উপস্থিতি। সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া "স্টুডেন্ট অফ
দ্যা ইয়্যার" সিনেমায় তাকে হাই স্কুলের ডীন চরিত্রে দেখা যাবে যে মূলত
একজন সমকামী। 

চরিত্রটির ব্যাপারে যখন কাপুর কে জিজ্ঞেস করা হয় তখন তিনি বলেন, আমি
নিজেকে বাবার চরিত্রে আবদ্ধ রাখতে চাই না। বিবিধ চরিত্রে নিজেকে নিয়ে
এক্সপেরিমেন্ট করতে আমি পছন্দ করি।

স্টুডেন্ট অফ দ্যা ইয়্যার করণ জোহর পরিচালিত দ্বিতীয় ম্যুভি।

১১ অক্টোবর, ২০১২

সিন কোডি’র সাবেক গে মডেলের যাবত জীবন কারাদন্ড

জেসন এন্ড্রুজ এর বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় তাকে এখন বাকী
জীবন জেলে কাটাতে হবে। সাবেক সিন কোডি মডেল জেসন পর্নগ্রাফীতে অভিনয় করত
এডিসন নামে। ২০১০ সালে ডেনিস স্কুটার আব্রাহেমসেন কে খুন করার অপরাধে
জেসনকে মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়। ৪১ বছর বয়সী আব্রাহেমসেন ছিল ট্যাটু শপের
মালিক। আবাহেমসেনের বাড়ীতে একটা সেক্সপার্টির আয়োজন করা হয়। সেখানে
এন্ড্রুজ জয়েন করেন। ওখানেই খুনটা সংঘটিত হয়।

এন্ড্রুজের সহযোগী পর্নস্টার আমান্ডা লগ এই হত্যা মামলায় তার অবস্থান
নিয়ে এখনো বিচারাধীন আছে। আমান্ডা বিবাহিত হয়েও এন্ড্রুজের সাথে ডেটিং
করত। আব্রাহেমসেন আমান্ডাকে ভাড়া করে তার সাথে সেক্স করে ভিডিও করার
জন্য।

তারা আব্রাহামসেন হত্যা করে তার টাকা-পয়সা ও বাড়ীর সম্পদ হাতানোর জন্য।
তার আব্রাহামসেনের Home Depot card ব্যবহার করার কারণে তারা ধরা হয়ে যায়।
আমান্ডা ধরা পড়ার পর জবানবন্দী দেয় এই ঘটনার জন্য জেসন ই দায়ী। আমান্ডা
লগ এখনো প্রথম শ্রেণীর খুনের মামলায় চার্জে আছে। মে মাসে তাকে ট্রাইলে
নেয়া হবে।

কপালটা খারাপ

বান্দরবনের পার্বত্য এলাকা। সবুজ বনানীর বুকে আঁকাবাকা কালো একটা রেখা।
কাছে গেলে দেখা যাবে বনের বুক চিরে চলে যাওয়া পিচ ঢালা রাস্তা এটা।
দুপাশের গাছগুলো বড় হতে হতে আকাশ ছুঁয়েছে যেন। রাস্তার ঢালু দিক থেকে
একটা জিপ আসার শব্দ পাওয়া গেল। বনের পাখিরা ডানা ঝাপটে উড়ে গিয়ে দূরের
গাছে গিয়ে বসল। জিপের হুইল ঘোরাচ্ছে আর মনের সুখে শিস দিচ্ছে চালক। আজ
একটা ফিনফিনে বাতাস বইছে। তাই মেজাজটাও ফুরফুরে আছে। চালকের আসনে বসা
রাজ, ২৫ বছরের যুবা। পুলিশের সাব ইন্সপেক্টরের চাকরী নিয়ে এসেছে এখানে আজ
৬ মাস হল। প্রথম প্রথম খুব খারাপ লাগত। মনে হত সে পাগল হয়ে যাবে। একসময়
সে পাহাড়ী বাঙালীদের সাথে নিজেকে মানিয়ে নিয়েছে। ভালই আছে। মারমাদের
বানানো মদটা সে বেশ উপভোগ করে।

গাড়ী চালাতে চালাতে একটা জিনিস তার নজরে এল। রাস্তা থেকে নেমে গিয়ে
কিছুটা ভিতরে একটা মানুষ গাছ জড়িয়ে দাঁড়িয়ে আছে। কান্নার শব্দ আসছে।
পুরুষ মানুষ কাঁদবে কেন। রাজের আগ্রহ হল। সে গাড়ীটাকে বামপাশে সাইড করে
দাঁড় করাল। সে লোকটার দিকে এগিয়ে গেল। বুট জুতোর নিচে শুকনো পাতারা মচমচ
করে ভেঙে যেতে লাগল। একটা পাহাড়ী যুবক, তার বয়সী – সম্পূর্ণ দিগম্বর করে
ইউক্যালিপটাস গাছের সাথে কে যেন বেঁধে রেখেছে।এই এলাকার চাকমা ছেলেগুলোর
গড়ন বেশ চমৎকার। সিন কোডীর পর্ন মুভিতে দেখা অনেক স্টারের সাথে মিলে যায়।
এই ছেলেটার দেহ সুগঠিত। গায়ের রঙ সোনালী হলুদ। মাথায় ফিনফিনে মোঙ্গলীয়
ধাঁচের চুল। রাজ বুকের বামপাশে কেমন একটা শিরশির ভাব অনুভব করল। সে পুলিশ
অফিসার জেরা করতেই হয়।

ছেলেটা কাঁদতে কাঁদতে জবাব দিল। চাকমাদের বাংলা উচ্চারণে একটা টান থাকে।
রাজের কাছে বেশ চমৎকার লাগে এই টানটা। যেমন সে উপভোগ করে শ্রীকান্তের
গাওয়া রবীন্দ্র সংগীত। মন কেমন কেমন করা দিনগুলোতে ইন্দ্রাণী-শ্রীকান্তের
গাওয়া রবীন্দ্র সংগীতগুলো তাকে সঙ্গ দেয়। ছেলেটার নাম সজিব চাকমা। ফরেষ্ট
অফিসের জিপ চালায়।

- আজ আমার কপালটাই খারাপ। সকালে বউয়ের সাথে ঝগড়া হল। রাগ করে বাড়ী থেকে
বেড়িয়ে পড়লাম। গাড়ী চালাতে চালাতে গহীন বনে চলে এসেছি। পথে একজন ক্লান্ত
লোক সাহায্য চাইল।পরনে ছেড়া খোঁড়া কাপড়। কি মনে করে রাজী হলাম। এখানে
আসার পর, হারামীটা আমার কাঁধে পিস্তল ধরল। আমার জিপ ছিনিয়ে নিয়ে গেল।
আমার কপালটাই খারাপ। আমার কাপড় পর্যন্ত খুলে নি্ল। কাপড় নিবি নে। আমাকে
এই গাছে বেঁধে রেখে গেল। এখন দুপুর গড়িয়ে হয়ে গেছে। ভাবছিলাম আমি না খেয়ে
শুকিয়ে মরে যাব। এই গাছের সাথে আমার কঙ্কাল শুধু বাঁধা থাকবে। কপালটাই
খারাপ।

রাজ কিছু বলল না। সে চাকমা যুবকের চোখে চোখ রাখল। তার হাতের আংগুল
প্যান্টের জিপার খুলতে লাগল। সজীব অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল কি করছেন। রাজের
ঠোঁটে বাঁকা হাসি। সে মৃদু হেসেই জবাব দিল তোমার কপালটা আজ আসলেই খারাপ।

গে উপন্যাস লেখায় ভ্যাটিকান বুলগেরিয়ার রাষ্ট্রদূতকে বহিঃষ্কার করেছে

অনৈতিক(!) গে উপন্যাস লেখায় ভ্যাটিকান বুলগেরিয়ার রাষ্ট্রদূতকে বহিঃষ্কার
করেছে। গে পটভুমির উপর উপন্যাস লেখায় কিরিল ম্যারিৎচকভ কে রোম থেকে
বহিঃষ্কার করার ঘোষণা দেয়া হয়। ৩৭ বছর বয়স্ক কিরিল ইটালীর পটভূমিতে একটা
উপন্যাস লিখেছেন। উপন্যাসের প্রধান চরিত্রদের একজন আরেকজন পুরুষকে সেক্স
এর জন্য টাকা পরিষোধ করেন। বিষয়টি নিয়ে ভ্যাটিকান এবং বুলগেরিয়ার মধ্যে
কিছুতা উদ্বেগ বিরাজ করছে।

চার্চ কি এখনো সেই মধ্যযুগে আছে। তারা এখনো কি লেখকদের ঠিক করে দিতে চায়
তাদের উপন্যাসে তারা কি লিখবে। এই চার্চ তো সক্রেতিসকে বিষ খাইয়ে
মেরেছিল, কোপারনিকাসকে আগুনে পোড়াল, বৃদ্ধ গ্যালিলি গ্যালিলিওকে মিথ্যার
কাছে মাথানত করে মাফ চাইয়েছিল। এর প্রতিটি ক্ষেত্রে চার্চের অবস্থান ছিল
ভূল। ধর্মের নামে চার্চ আর কতকাল একটি বিশেষ শ্রেনীর মানুষকে অধিকার
বঞ্চিত করে রাখবে। অবিবাহিত যাজকদের ভিতর সমকামিতার প্রবণতা যে কত বেশী
সেটা তো আজ আর কোন গোপন বিষয় নয়। আমি ভ্যাটিকানের এই মুর্খ অবস্থানের
নিন্দা জানাচ্ছি। কিরিল অবশ্যই বুলগেরিয়ার রাষ্ট্রপতি হওয়ার যোগ্য।

তোমার পালা



রাত এগারোটা বাজে আকশে পূর্ণিমার আলোর ছড়াছড়ি চারপাশে শুনশান নিরবতা দূরের ঝোপ থেকে ঝিঁঝি পোকাদের একটানা আওয়াজ ভেসে আসছে রনির আজ মন ভাল একটু বেশী ভাল ফারহান রহমান রনি ব্যাংকে চাকরী করে ভালই বেতন পায় সে আর তার বউ মিলি রাজার হালে আছে বলতে গেলে বাড়তি কোন ঝামেলা নেই বাচ্চা কাচ্চা নেই বছর তিনেকের ভেতর নেওয়ার ইচ্ছেও নেই আজ রনির প্রোমোশন হয়েছে জুনিয়র অফিসর থেকে তার ্যাঙ্ক এখন অফিসার মনের ভিতর বসন্ত বাতাস আজ আকুপাকু করছে মিলির জন্য দামী একটা সিল্কের শাড়ি কিনে এনেছে পাশের ঘরে মিলি সেই শাড়ীটা পড়ছে

বাতাসে দরজার পর্দা ঊড়ছে পর্দা সরিয়ে মিলি সামনে এসে দাঁড়াল বিয়ের দেড় বছরের মাথায় মিলিকে তার কাছে এখনো চির নতুন বলে লাগে তার কাছে বুকের বামপাশে হালকা একটা শীতল স্রোত অনুভব করল সে খাট থেকে উঠে মিলিকে বুকে টেনে নিল তার পৌরুষদিপ্ত ঠোঁটের অত্যাচারে মিলি বেসামাল হয়ে গেল জগতের সব কিছু ভূলে গেল তারা প্রেম সাগরের ঢেউয়ে ভাসছে তারা শুধু তারা দুজন রনির কেনা সাধের শাড়ীটা ধুলোয় লুটোতে লাগ্ল সেদিকে ভ্রুক্ষেপ করার সময় নেই খাটের উপর তাদের বিবস্ত্র দেহজোড়া পৃথিবীর মহানতম আদিম খেলায় মেতে উঠেছে

হঠাৎ মিলির মনে হল, ঘরের ভিতর কিছু একটা হাটছে রনিকে সে থামানোর চেষ্টা করল কিন্তু রনি এখন সুন্দরবন এক্সপ্রেসের গতিতে চলছে থামে কিভাবে মিলি কোন মতে হাত বাড়িয়ে টেবিল লাইটের সুইচটা জ্বালাল যা দেখল তাতে তারা দুজন চিৎকার দিতে গিয়েও থেমে গেল গলা দিয়ে স্বর নামছে না মনে হচ্ছে তারা বোবা হয়ে গেছে ঘরের ভিতর একজন অচেনা পুরুষ দাঁড়িয়ে আছে মুখে রুমাল বাঁধা লাদেনের চেলাদের মত তাদের দিকে পিস্তল বাগিয়ে আছে ধমক দিয়ে বলল, কোন শব্দ নয়!

মিলি-রনি বুঝতে পারল তারা ডাকাতের কবলে পড়েছে মিলি মনে মনে ভাবার চেষ্টা করল, নাহ দরজা-জানালা তো সে ঠিকই লাগিয়েছে তাহলে লোকটা ফ্লাটের ভিতর ঢুকল কিভাবে ডাকাতটা মিলি রনিকে সোফার চেয়ারে বেঁধে রাখল একজন পরপুরুষের সামনে বিবস্ত্র মিলি বসে আছে তার লজ্জা করছিল সে কাপতে লাগল রনি শরীরও সুগঠিত দুইহাত শক্ত করে চেয়ারে বাঁধা তার ইচ্ছে করছিল ডাকাতটার দুইপায়ের মাঝে কষে একটা লাথি মারতে পুরুষ হয়ে কেউ পুরুষ মানুষকে অপমান করে ডাকাতটা তার বাসায় আলমারীর চাবি ছিনিয়ে নিল তন্ন তন্ন করে খুঁজেও খুব বেশী টাকা পেল না রনির মুখে পিস্তলের বাট দিয়ে বাড়ি মেরে বলল,
-      শালা, হারামজাদা ব্যাঙ্কে চাকরি করিস আর বাড়িতে টাকা থাকে না কেমন কথা?

রনির হাসি পেল, বলল, ব্যাংকার যদি টাকা ব্যাঙ্কে না রাখে তাহলে অন্য লোক ভরসা পাবে কিভাবে
ডাকাত টা মুচকি হাসল, বাড়িতে টাকা না থাক, তোর সুন্দরী বউ তো আছে তাকে দিয়েই না হয় আজকের খ্যাপ উশুল হবে বলেই সে তার নিজের পোষাক খুলতে শুরু করল মিলির মুখ বাঁধা সে ফোঁপাতে লাগল রনিও অক্ষম আক্রোশে হাতের বাঁধন ছোটানোর চেষ্ট করল বিবস্ত্র লোকটা মিলিকে চেয়ারে বসা অবস্থায় তার দুই পা কাঁধে তুলে নিল মিলির হাত বাঁধা আছে মুখের বাঁধন খুলে ডাকাত টা চুমু দিতে লাগল এসব লোকের সেক্স মুলত লজ্জাস্থান কেন্দ্রিক শৃংগার মৈথুনে তারা বেশী সময় ব্যয় করে না ডাকাত টাও তাই করল মিনিট দুয়েকের ভিতর কনডম বের করে ফেলল রনি অবাক হয়ে খেয়াল করল ডাকাতটার গোপন জিনিসের সাইজ ছেলে তুমি অবাক হয়ে যাবে, বলবে ওয়াও মিলির সামনে রনির কিছুটা লজ্জা করতে লাগল

থ্রি এক্স সিনেমায় রনি এরকম চেয়ারে বসা সেক্স দৃশ্য অনেক দেখেছে, কিন্তু বাস্তব জীবনে সে নিজেও উপভোগ করে নাই না চাইলেও সে লোকটার প্রতিটার স্ট্রোক খেয়াল করে দেখছে বোঝা যাচ্ছে এই কাজে লোকটা বেশ অভিজ্ঞ মাসলমানের মত ফিগার তার আধাঘন্টা পর সে থামল মিলির কানে কানে কিছু যেন বলল তারপর কাঁধ থেকে মিলির পা নামিয়ে বাথরুমে গেল ক্লান্ত বিব্ধস্ত মিলি হাত বাঁধা অবস্থায় চেয়ারে মাথা এলিয়ে দিল রনি ভাঙা গলায় জানতে চাইল, ডাকাতটা তোমার কানে কানে কি বলল

মিলি ক্লান্ত গলায় উত্তর দিল, “লোকটা বলল তোমার স্বামী দেখতে অনেক কিউট তাকে আমার পছন্দ হয়েছে এবার তোমার পালা রনি